সমাজে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে ধর্ষণ। যে ধর্ষণ কাহিনী মিডিয়ায় প্রচার হয়, তা নিয়ে আমরা সমানতালে প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন করছি, গলা ফাটিয়ে চিৎকার করছি, শক্তহাতে কলম চালাচ্ছি, শাস্তি চাই! শাস্তি চাই ! ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই ! ফলস্বরূপ কতক ধর্ষক গ্রেপ্তার হচ্ছে। কতক অধরা থেকে যাচ্ছে। আবার অনেকেই বলীর পাঠা হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এক সময় আমরা নীরব হয়ে যাই। পুলিশ ভাইয়েরাও অধরা ধর্ষক নামে নরপশুদের কথা ভুলে যায়। আইনমতে, কুকুরের চেয়েও অধম নরপশুদের শাস্তি হয় পাঁচ, দশ, বিশবছর কারাদণ্ড বা ফাঁসি। এর মাঝে আবার অনেকেই ক্ষমতার দাপটে বা আইনের ফাঁক-ফোঁকরে বেরিয়ে আসে এবং ভিকটিমের উপর প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এমনকি পূনরায় থাকে ধর্ষণ করতে চেষ্টা চালায়। শাস্তি হিসেবে কাজের কাজ কিছুই হলোনা। আর এ জন্যই আমি মনে করি ধর্ষকের উপযুক্ত শাস্তি হিসাবে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো জনসম্মুখে ও কে কোরআনি আইন অনুযায়ী অবিবাহিত হলে ১০০বেত্রাঘাত এবং বিবাহিত হলে গলা পর্যন্ত মাটির নিচে চাপা দিয়ে পাথর নিক্ষেপ করা। যে মেয়েটি আজ ধর্ষিত হয়েছে, সে এর জ্বালা আমৃত্যু ভোগ করবে। জীবন্ত লাশ হিসাবে বেঁচে থাকবে সারাটি জীবন। সবসময় পাড়া-প...